এপ্রিল ফুল ডে বর্জন করুন ।

By: Unknown On: 11:00
  • Share The Gag

  • ১লা এপ্রিলঃ মুসলিম নিধনের এক রক্তাক্ত ইতিহাস(এপ্রিল ফুল ডে বর্জন করুন )
    আজ পহেলা এপ্রিল, সবাই পালন করবে এপ্রিল ফুল ডে-
    কিন্তু আপনারা কি জানেন, কেন এই দিনটিকে এপ্রিল ফুল বলা হয়?
    আপনি কি জানেন, এই দিনে গ্রানাডার লাখ-লাখ মুসলমানকে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছিল?
    এপ্রিল ফুল দিবসটি সৃষ্টির সাথে রয়েছে মুসলমানদের করুণ ও হৃদয়র্স্পশী এক ইতিহাস। ১লা এপ্রিলের এই ইতিহাস অন্যান্য জাতি জানলেও অনেক মুসলিম জাতি না জানার কারনে এই বিজাতীয় অপসংস্কৃতিকে আপন করে নিয়েছে।
    তৎকালীন ইউরোপীয় দেশ স্পেনে মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদ এর নেতৃত্বে ৭১১ খ্রীস্টাব্দে ইসলামি পতাকা উড্ডীন হয় এবং মুসলিম সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়। সুদীর্ঘ প্রায় আটশ বছর পর্যন্ত সেখানে মুসলমানদের গৌরবময় শাসন বহাল থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আস্তে আস্তে মুসলিম সাম্রাজ্যে ঘুন ধরতে শুরু করে এবং মুসলিম শাসকরাও ভোগ বিলাসে গা ভাসিয়ে দিয়ে ইসলাম থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। ফলে মুসলিম দেশগুলোও ধীরে ধীরে মুসলমানদের হাত ছাড়া হয়ে খ্রীস্টানদের দখলে যেতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আসে স্পেনের পালা। মুসলিম শাসনে নেমে আসে পরাজয়ের কাল ছায়া। খ্রীস্টান জগত গ্রাস করে নেয় স্পেনের বিজয় পতাকা।
    এক পর্যায়ে মুসলিম নিধনের লক্ষ্যে খ্রীস্টান রাজা ফার্ডিন্যান্ড বিয়ে করে পর্তুগীজ রানী ইসাবেলাকে। যার ফলে মুসলিম বিরোধী দুই বৃহৎ খ্রীস্টান শক্তি সম্মিলিত শক্তি রুপে আত্মপ্রকাশ করে। রানী ইসাবেলা ও রাজা ফার্ডিন্যান্ড খুঁজতে থাকে স্পেন দখলের মোক্ষম সুযোগ। পরবর্তীতে মুসলিম সভ্যতার জ্ঞান বিজ্ঞানের কেন্দ্রস্থল গ্রানাডার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। এক পর্যায়ে মুসলমানদের অসতর্কতার সুযোগে খ্রীস্টান বাহিনী ঘিরে ফেলে গ্রানাডার তিন দিক। এক মাত্র মহাসমুদ্রই বাকী থাকে মুসলমানদের বাঁচার পথ। অবরুদ্ধ মুসলমানগন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে এদিক সেদিক ছুটতে থাকে। মুসলমানদের এই অসহায় অবস্থায় রাজা ফার্ডিন্যান্ড প্রতারণার আশ্রয় নেন। তিনি দেশব্যাপী ঘোষনা করে দেন - "যারা অস্ত্র ত্যাগ করে মসজিদগুলোতে আশ্রয় নেবে এবং সমুদ্র পাড়ে রক্ষিত নৌযানগুলোতে আরোহন করবে তাদেরকে সব রকমের নিরাপত্তা দেওয়া হবে"। এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে মুসলমানগন যেন আশার আলো খুঁজে পায়। সরল মনে বিশ্বাস করে মুসলমানগন মসজিদ ও নৌযানগুলোতে আশ্রয় গ্রহন করে। কিন্তু ইতিহাসের জঘন্য নরপিশাচ প্রতারক রাজা ফার্ডিন্যান্ড তালা লাগিয়ে দেয় মসজিদগুলোতে এবং মাঝ দরিয়ায় ভাসিয়ে দেয় নৌযানগুলোকে। এরপর বিশ্ব মানবতাকে পদদলিত করে ঐ মানুষ নামের পশু ফার্ডিন্যান্ড আগুন লাগিয়ে দেয় মসজিদগুলোর চার পাশে এবং মধ্যসমুদ্রে ডুবিয়ে দেয় নৌযানগুলোকে। ফলে অগ্নিদগ্ধ ও পানিতে হাবুডুবু খাওয়া লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষ আর নিষ্পাপ শিশুর আর্ত চিৎকারে ভারি হয়ে উঠে স্পেনের আকাশ বাতাস। মুহূর্তের মধ্যে নির্মমভাবে নিঃশেষ হয়ে যায় সাত লক্ষ মুসলমানের তাজা প্রান। আর এরই মধ্যে ইতি ঘটে স্পেনের আটশ বছরের মুসলিম শাসনের, আর পৃথিবীর ইতিহাসে রচিত হয় মনবতা লঙ্ঘনের নির্মম অধ্যায়। যেদিন এই মর্মান্তিক হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটেছিল সেদিন ছিল ১৪৯২ খ্রীস্টাব্দের ১লা এপ্রিল। তখন থেকে মুসলমানদেরকে ধোঁকা দেওয়ার সেই নিষ্ঠুর ইতিহাস স্মরনার্থে খ্রীস্টানরা প্রতি বছর এপ্রিল ফুল পালন করে আসছে।
    দুঃখের সাথে বলতে হয় "এপ্রিল ফুল" এর প্রকৃত ইতিহাস সর্ম্পকে না জানার কারণে আমরা আমাদের পূর্বসূরীদের দুর্ভাগ্যকে আনন্দের খোরাক বানিয়ে এপ্রিল ফুল পালন করছি।
    আমরা আর কতকাল আত্মবিস্মৃত হয়ে থাকব ? নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য সর্ম্পকে অজ্ঞতার ধারা আর কতদিন আমাদের মধ্যে বিরাজ করবে। অথচ এই অজ্ঞতাই আমাদের জন্য সবচেয়ে মারাত্নক কাল হয়ে দেখা দিয়েছে।

    আজও বিচার পাননি,মায়ের সামনে মেয়েকে এবং মেয়ের সামনে মাকে গণধর্ষণের ।

    By: Unknown On: 10:15
  • Share The Gag

  • আজও বিচার পাননি আ.লীগ নেতার হাতে ধর্ষিতা সেই মা-মেয়ে___মায়ের সামনে মেয়েকে এবং মেয়ের সামনে মাকে গণধর্ষণের ৩ বছরঅতিবাহিত হয়েছে। 
    .
    কিন্তু প্রতিকার পাননিনির্যাতিতা মা ও মেয়ে। ধর্ষণের মধ্যেইসীমাবদ্ধ নেই এই লোমহর্ষক ঘটনা।ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা প্রচারেরহুমকি দিয়ে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে তাদেরসম্পত্তি। তারপরও ফেসবুকে ছড়িয়েদেয়া হয় এই ভিডিও। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৩ সালে ফেনীরদাগনভূঞায়।এ ঘটনার মূলহোতা রয়েছে ধরা ছোঁয়ারবাইরে। তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলাপরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নালআবেদিন মামুন। জাতীয় প্রেস ক্লাবেসংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগকরেন নির্যাতিতা ওই নারী। ওই নির্যাতিতানারী জানান, আওয়ামী লীগ নেতা জয়নালআবেদিন মামুন ও তার ভাই লিঠুসহ ১৪ জন তাকে ও তার কিশোরী মেয়েকেধর্ষণ করে।তিনি জানান, ২০১২ সালে তার স্বামী সড়কদুর্ঘটনায় নিহত হলে জয়নাল আবেদিন মামুন তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে।বিয়ে করতে চাইলে রাজি হননি।পরবর্তীতে স্থানীয় জামাল উদ্দীনকেবিয়ে করলে আওয়ামী লীগ নেতামামুনের হুমকির কারণে দুই মাস পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে নানাভাবেতাকে জিম্মি করতে চেষ্টা করে মামুন।২০১৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর তার বড়মেয়েকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়মামুনের লোকজন। খবর পেয়েমেয়েকে উদ্ধার করতে মামুনের বাসায়যান ওই নারী। তখন ঘরে আটকে রেখেতাকে ধর্ষণ করে মামুন।নির্যাতিতা জানান, ধর্ষণের পর মামুনেরছোট ভাই লিটু তাকে নিয়ে অন্য একটিবাড়িতে যায়। সেখানে তার ১৩ বছরেরছোট মেয়ের সামনে তাকে ও তার বড়মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। পালাক্রমে ১৪দুর্বৃত্ত তাদের ধর্ষণ করে বলে তিনিজানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছের্যাবের একটি টিম তাদের উদ্ধার করে।ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলফোনে ধারণকরে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয়দেখিয়ে ওই বিধবার কাছ থেকে ছয়টিস্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় মামুন।পরবর্তীতে কয়েকটি দোকানসহ তারসম্পত্তি দখল করেন তিনি। তবেপরবর্তীতে ওই ভিডিওটি ফেসবুকেরমাধ্যমে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া হয়।ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে। কিন্তু ধর্ষকরা ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী হওয়ায় শুরুতে মামলা গ্রহণ করেনিপুলিশ। শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগনেতা মামুনকে আসামি থেকে বাদ দিয়েমামলা রেকর্ড করে পুলিশ
    .
    শেয়ার করে প্রচার করুন,
    লাইক দিয়ে সাথে থাকুন । https://www.facebook.com/islamicnews24hours/